সাধু ভাষার দিনগুলিতে চ্যাট Sādhu bhāṣār dingulitē chāṭ
-আছি বৈকি !
-কুশলাদি বলিলে প্রীত হইতাম ।
-ললাটে ফোঁড়ন উঠিয়াছে, বাকি সব গতকল্য মোতাবেক সঠিক রহিয়াছে ।
-বৈকল্যে একবার দেখা করিবার সাধ জাগিয়াছে, দেখা হইবে কি ?
-দেখিবার সাধ জাগিলে তাহার হেতুর বিচ্ছরন করিবার মনবাসনা হয়না ।
সখি পরাণের দাগ মুছিয়া ফেলিতে তোমারে স্মরিছি, ফিরাইওনা খালি হাতে ।
-বৈকল্যে আব্বাজানের ধবল চুলে মেহেন্দি লাগাইবার সিদ্ধান্ত হইয়াছে । তুমি নিশ্চয়ই আব্বাজানের সিদ্ধান্তকে উষ্ঠা মারিয়া তোমার সহিত দেখা করিতে বলিবেনা ?
-সখি আব্বাজানের ধবলচুল মেহেন্দিতে যখন লাল হইবে তখন এই যুবকের প্রজ্জ্বলিত হৃদয় তমশায় ডুবিয়া যাইবে । যুবকের হৃদয় ভাঙ্গিবার সাধ জাগিলে তোমারে বলপ্রয়োগ পূর্বক দেখা করিবার প্রয়াস চালাইবোনা ।
-আব্বাজানের চুল যখন মেহেন্দিতে লাল হইবে তখন এই যুবতীর মনটা বৈকালীন ভ্রমণে যুবকের সাথে ঘোরাফেরা করিবে । তোমারে ভাবিয়া ভাবিয়া পূর্ণ বৈকাল ম্লান হইবে বুঝিতেছি ।
-ত্বদীয় ভাব বুঝিবার পারিয়াছি। এক খানা বুদ্ধি আসিয়াছে, আব্বাজানকে বলিবে মাস্টারমশাই ডাকিয়াছে । বৈকল্যে তাহার নিকট গণিত ধাতস্ত করিবে ।
-সে আশায় গুড়ে বালি । মাস্টারমশাই বৈকল্যে আব্বাজানের সহিত দেখা করিতে আসিবে ন।
-কোন কিছু বুঝিবার চাহিনা, তোমাকে আসিতে হইবে !
-পাগলের প্রলাপ বকিবেনা, মেগাবাইট ফুরিয়া অসিতেছে । উহা ব্যতিত অন্য কোন গল্প ফাঁদিতে পারো কিনা দেখিতে পারো ?
-সখী মেগাবাইট ফুরিয়া গেলেই কি দেখা করিবার ইচ্ছা চলিয়া যাইবে ?
-আহা ! তুমি বুঝিতে পারিতেছোনা, আমি অপারগ হইয়া পড়িয়াছি ।
-আমি কিছু দেখিতে পারিতেছিনা । বৈকল্যে সুরভী উদ্যানে বসিয়া থাকিব ।
তুমি না আসিলে অন্য কোন বালিকার হাত ধরিয়া হাঁটিবো, গাছের নিচে বসিয়া কাঠবাদাম চিবাইবো ।
–বালিকার কাঁধে হাত রাখিব, তাহার ললাটে চুম্বন করিবো, তাহাকে গান শোনাইবো ।
–বালিকার আঙ্গুলে আঙ্গুল গুজাইয়া গান করিবো, তাহার চুলের ঘ্রাণ নিয়া স্বর্গ-মত্ব একাকার করিব ।
–বুঝিয়াছি । আমাকে আসিতে হইবে । আমি আসিব । ঝাঁটা সমেত আসিব ।

No comments:
Post a Comment
Please do not any spam in the comments Box.